Friday, September 30, 2022

ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ কবিতা – শামসুর রাহমান | কবিতার মূলভাব ,সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ কবিতা – লেখকঃ শামসুর রাহমান ।

” ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ কবিতা ” একটি দেশপ্রেম, গণজাগরণের ও সংগ্রামী চেতনাধর্মী কবিতা। কবিতাটি ১৯৬৯ সালের গণ অভ্যুত্থানের পটভূমিতে রচিত। কবিতায় দেশমাতৃকার প্রতি জনতার বিপুল ভালোবাসা সংবর্ধিত হয়েছে। গদ্যছন্দ ও প্রবাহমান ভাষার সুষ্ঠু বিকাশে কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য সংযোজন।

১৯৬৯-এ পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে তৎকালীন পূর্ববঙ্গে যে গণআন্দোলনের সূচনা ঘটেছিল, কবিতাটি সেই গণজাগরণের পটভূমিতে রচিত। জাতিগত শোষণ ও নিপীড়নের বিরূদ্ধে এদেশের সাধারণ মানুষ ক্ষুদ্ধ হয়ে ওঠে’৬৯-এ। প্রত্যন্ত গ্রামগঞ্জ, হাটবাজার, কলকারখানা, স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অসংখ্য মানুষ জড়ো হয় ঢাকার রাজপথে। কবিতাটি দেশমাতৃকার প্রতি জনতার বিপুল ভালোবাসা সংবর্ধিত হয়েছে। কবিতাটিতে একুশের রক্তঝরা দিনগুলোতে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে এদেশের সংগ্রামী মানুষের আত্মহুতির মাহাত্ম্য প্রগাঢ়তা লাভ করেছে।

ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ কবিতার মূলভাবঃ

ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ কবিতার মূলভাবঃ কবি শামসুর রাহমানের ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ সংগ্রামী চেতনা, দেশপ্রেম ও গণজাগরণের জন্য উদ্বুদ্ধ করার মতো একটি কবিতা । ১৯৫২ সালের ঐতিহাসিক রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের সূত্র ধরে তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানিদের শাসন, শোষণ, নিপীড়নের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা আন্দোলন ১৯৬৯ সালে গণঅভ্যুত্থান রূপ নেয় ।

এদেশের সাধারণ মানুষ ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে । ঢাকার রাজপথে জনগণের ঢল নামে । এ কাতারে সামিল হয় গ্রামগঞ্জের সাধারণ মানুষ, কলকারখানার শ্রমিক, স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষকসহ সকল শ্রেণিপেশার মানুষ ।

কবি এ কবিতায় পরম মমতায়, শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় সকল মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত সংগ্রামী চেতনাকে শৈল্পিক রূপ দিয়েছেন। এই আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে আসাদুজ্জামান, মতিউর, ড. শামসুজ্জোহা প্রমুখের মৃত্যুকে ভাষা-শহিদ সালাম ও বরকতের প্রতীকে তাৎপর্যময় করে তুলেছেন ।

ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ কবিতা – লেখকঃ শামসুর রাহমান

আবার ফুটেছে দ্যাখো কৃষ্ণচূড়া থরে থরে শহরের পথে
কেমন নিবিড় হয়ে। কখনো মিছিলে কখনো-বা
একা হেঁটে যেতে যেতে মনে হয়-ফুল নয়, ওরা
শহিদের ঝলকিত রক্তের বুদ্বুদ, স্মৃতিগন্ধে ভরপুর।
একুশের কৃষ্ণচূড়া আমাদের চেতনারই রং।
এ-রঙের বিপরীত আছে অন্য রং,
যে-রং লাগে না ভালো চোখে, যে-রং সন্ত্রাস আনে
প্রাত্যহিকতায় আমাদের মনে সকাল-সন্ধ্যায়-
এখন সে রঙে ছেয়ে গেছে পথ-ঘাট, সারা দেশ
ঘাতকের অশুভ আস্তানা।
আমি আর আমার মতোই বহু লোক
রাত্রি- দিন ভূলুণ্ঠিত ঘাতকের আস্তানায়, কেউ মরা, আধমরা কেউ,
কেউ বা ভীষণ জেদি, দারুণ বিপ্লবে ফেটে পড়া।
চতুর্দিকে মানবিক বাগান, কমলবন হচ্ছে তছনছ।
বুঝি তাই উনিশশো উনসত্তরেও
আবার সালাম নামে রাজপথে, শূন্যে তোলে ফ্ল্যাগ,
বরকত বুক পাতে ঘাতকের থাবার সম্মুখে।
সালামের চোখে আজ আলোচিত ঢাকা,
সালামের মুখে আজ তরুণ শ্যামল পূর্ববাংলা।
দেখলাম রাজপথে, দেখলাম আমরা সবাই জনসাধারণ
দেখলাম সালামের হাত থেকে নক্ষত্রের মতো
ঝরে অবিরত অবিনাশী বর্ণমালা
আর বরকত বলে গাঢ় উচ্চারণে
এখনো বীরের রক্তে দুঃখিনী মাতার অশ্রুজলে
ফোটে ফুল বাস্তবের বিশাল চত্বরে
হৃদয়ের হরিৎ উপত্যকায়। সেই ফুল আমাদেরই প্রাণ,
শিহরিত ক্ষণে ক্ষণে আনন্দের রৌদ্রে আর দুঃখের ছায়ায়।

ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ কবিতা pdf | ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ কবিতা শামসুর রাহমান pdf | february unissho unosohottor kobita pdf download |

ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ কবিতা pdf | ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ কবিতা শামসুর রাহমান pdf | february unissho unosohottor kobita pdf download | ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ [ Download PDF ]

ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ কবিতা pdf, ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ কবিতার মূলভাব, ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ কবিতার mcq, ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর, ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ কবিতা আবৃতি

ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ কবিতার জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর :

ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ কবিতার জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর :

  • ফেব্রুয়ারী ১৯৬৯ কবিতা টি নেয়া হয়েছে ‘নিজ বাসভূমে’ কাব্যগ্রন্থ থেকে।
  • “ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯” কবিতায় কোন ফুলের কথা উল্লেখ আছে? → কৃষ্ণচূড়া ফুলের কথা।
  • ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতার পটভূমি  পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ১৯৬৯ এ সূচিত পূর্ববঙ্গের মানুষের গণ আন্দোলন।
  • কবি এ কবিতায় রচনা করেছেন বিচিত্র শ্রেণি পেশার মানুষের স্বত:স্ফূর্ত সংগ্রামী চেতনার অসাধারণ এক শিল্পভাষ্য।
  • ‘সকাল সন্ধ্যায় এখন সে রঙে ছেয়ে গেছে পথ ঘাট’ এখানে ‘ সে রঙে’ বলতে বোঝানো হয়েছে- আমাদের চেতনার রঙ এর বিপরীত রঙ এর কথা।
  • সারা দেশে অশুভ আস্তানা ঘাতকের।
  • ১৯৬৯ এ ৬ দফা দাবি উত্থাপন করে শেখ মুজিবুর রহমান।
  • ১৯৬৯ এ ১১ দফা দাবি উত্থাপন করে ছাত্ররা।
  • ১৯৬৯ এর অপ্রতিরোধ্য আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে মৃত্যুবরণ করেন আসাদুজ্জামান, মতিউর, ড. শামসুজ্জোহা প্রমুখ।
  • ‘চতুর্দিকে মানবিক বাগান, কমলবন হচ্ছে তছনছ’ এখানে ‘কমলবন’ বলতে বোঝানো হয়েছে মানবিকতা, সুন্দর ও কল্যাণের জগত।
  •  রাজপথে নামে সালাম।
  • শূন্যে ফ্ল্যাগ তোলে সালাম।
  • ঘাতকের থাবার সম্মুখে বুক পাতে বরকত।
  • সালামের চোখ আজ আলোচিত ঢাকা।
  • সালামের মুখ আজ তরুণ শ্যামল পূর্ববাংলা।
  • অবিরত অবিনাশী বর্ণমালা ঝরে সালামের হাত থেকে।
  • অবিরত অবিনাশী বর্ণমালা ঝরে নক্ষত্রের মতো।
  • এখনো বীরের রক্তে দু:খিনী মাতার অশ্রæজলে ফোটে ফুল, বাস্তবের বিশাল চত্বরে হৃদয়ের হরিৎ উপত্যকায়’ একথা বলে – বরকত।
  • ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ কবিতা য় ফুল ফোটে বাস্তব বিশাল চত্বরে।
  • সেই ফুল আমাদেরই প্রাণ, শিহরিত ক্ষণে ক্ষণে আনন্দের রৌদ্রে আর দুঃখের ছায়ায়।
  • ‘সেই ফুল আমাদেরই প্রাণ’- এখানে ‘ফুল’ বলতে বোঝানো হয়েছে বাংলা ভাষাকে

আরও কবিতা পড়ুনঃ তাহারেই পড়ে মনে কবিতা – লেখকঃ সুফিয়া কামাল ।

ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ কবিতার mcq:

শামসুর রাহমানের জন্ম কত সালে?

ক) ১৯২৭ সালের ২৩ শে অক্টোবর
খ) ১৯২৮ সালের ২৩ শে অক্টোবর
গ) ১৯২৯ সালের ২৩ শে অক্টোবর
ঘ) ১৯৩০ সালের ২৩ শে অক্টোবর

নিচের কোনটি শামসুর রাহমানের কবিতার লক্ষণীয় বৈশিষ্ট্য?

ক) গ্রাম্য জীবনের অনাবিল সৌন্দর্য ও রুপতৃপ্তা
খ) গ্রাম্য জীবনের স্বাভাবিক কর্মচাঞ্চল্য ও স্থবিরতা
গ) নগর জীবনের যন্ত্রণা ও একাকীত্ব
ঘ) নগর জীবনের বিলাসিতা ও আভিজাত্য

‘মানবিক বাগান কমলবন হচ্ছে তছনছ।’ চরণটি দ্বারা কবি কী বুঝিয়েছেন?

ক) শত্রুর হিংস্র হামলা
খ) মূল্যবোধের অবক্ষয়
গ) বাগান ধ্বংস হয়ে যাওয়া
ঘ) মানুষের তৈরি বাগানের কারণে কমলবন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে

‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় সারাদেশ কাদের অশুভ আস্তানা?

ক) দালালের
খ) শোষকের
গ) পুলিশের
ঘ) ঘাতকের

‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় মূলত কী ফুটে উঠেছে?

ক) সহিংস চেতনা
খ) সন্ত্রাসবাদী মনোভাব
গ) দেশপ্রেমের চেতনা
ঘ) মানুষের প্রতি ভালোবাসা

‘একুশের কৃষ্ণচুড়া’ কীসের প্রতীক?

ক) আমাদের সংগ্রামের
খ) আমাদের আকাঙ্খার
গ) আমাদের চেতনার
ঘ) আমাদের বিজয়ের

‘এ দেশ কি ভুলে গেছে সেই দুঃস্বপ্নের রাত, সেই রক্তাক্ত সময় ।’ উদ্দীপকের সঙ্গে ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতার কোন বিষয়টির মেলবন্ধন রয়েছে?

ক) নির্যাতন
খ) বিজয়
গ) সংগ্রাম
ঘ) মিছিল

‘বুঝি তাই উনিশ শো উনসত্তরেও আবার সালাম নামে রাজপথে’- সালাম রাজপথে নেমে কী করে?

ক) স্লোগান দেয়
খ) পতাকা ওড়ায়
গ) শহিদ হয়
ঘ) ভাষণ দেয়

‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় কোন রঙে পথ-ঘাট ছেয়ে গেছে?

ক) কৃষ্ণচূড়ার রঙে
খ) কৃষ্ণচুড়ার বিপরীত রঙে
গ) পলাশ ফুলের রঙে
ঘ) পলাশের বিপরীত রঙে

‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় ‘কমলবন’ প্রতীকটি ব্যবহার করে কী বোঝানো হয়েছে?

ক) পদ্মফুলের বাগান
খ) মনোহর বাগান
গ) আনন্দময় জগৎ
ঘ) সুন্দর ও কল্যাণের জগৎ

চতুর্দিকে মানবিক বাগান, কমলবন হচ্ছে তছনছ।’ পংক্তিটি দ্বারা বোঝানো হয়েছে?

i. শাসকদের নির্মম অত্যাচার
ii.স্বৈরতান্ত্রিক মনোভাব
iii. অমানবিক নিষ্ঠুরতা

নিচের কোনটি সঠিক?

ক) i ও ii
খ) i ও iii
গ) ii ও iii
ঘ) i, ii ও iii

ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ কবিতা pdf, ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ কবিতার মূলভাব, ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ কবিতার mcq, ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর, ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ কবিতা আবৃতি

ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর:

ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর:

সৃজনশীল প্রশ্ন ১ :

১৯৫২ সালের ঐতিহাসিক রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের ক্রমধারায় ছাত্র অসন্তোষকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে আন্দোলন। যা ১৯৬৯ এ ব্যাপক গণতভ্যুথথানের রূপ নেয়। এরপর ১৯৭০ সালে সাধারণ নির্বাচন। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে এক সাগর রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয় কাঙ্খিত স্বাধীনতা। এ দেশের মানুষের মনে তখন অনুপ্রেরণা হয়ে কাজ করেছে, অদম্য প্রাণশক্তি জুগিয়েছে অকৃত্রিম দেশপ্রেম।

ক. শামসুর রাহমান কত সালে মৃত্যুবরণ করেন?
খ. “ওরা শহীদের ঝলকিত রক্তের বুদ্বুদ স্মৃতিগন্ধে ভরপুর” বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
গ. উদ্দীপকটিতে “ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯” কবিতায় কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকটি “ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯” কবিতার-ভাববস্তু – মন্তব্যটির যথার্থ বিচার করো ।

সৃজনশীল প্রশ্ন ২ :

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ হঠাৎ করে শুরু হয়েছে এমনটা ভাবা যুক্তিযুক্ত নয়। বস্তুত কোনো মুক্তিসংগ্রামই হঠাৎ করে শুরু হয় না। তার পিছনে একটা দীর্ঘ প্রস্তুতি থাকে, থাকে ইতিহাসের অনিবার্য ধারাবাহিকতা। আমাদের মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সোপান ছিল ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন। এই আন্দোলনের মাধ্যমে বাঙালির স্বাজাত্যবোধ ও মুক্তিচেতনা সুসংবদ্ধ হয়ে ওঠে।

ক. কৃষচুড়া কীসের প্রতীক?
খ. বিপরীত চেতনা বলতে কবি কি বোঝাতে চেয়েছেন? ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকের আলোকে সংশ্লিষ্ট কবিতার নামকরণের যথার্থতা আলোচনা করো।
ঘ. “বাঙালির প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামের প্রেরণা ছিল বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন – যুক্তিটির বার্থতা নিরূপণ করো।

সৃজনশীল প্রশ্ন ৩ :
প্রিয়, ফুল খেলবার দিন নয় অদ্য
ধ্বংসের মুখোমুখি আমরা,
চোখে আর স্বপ্নের নেই নীল মদ্য
কাঠফাটা রোদ সেঁকে চামড়া ।

ক. কমলবান শব্দটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
খ. “আবার নামবে সালাম রাজপথে” ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকে “ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯”- এর কোন দিকটি উঠে এসেছে?__ আলোচনা করো।
ঘ. “ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯” কবিতায় বাঙালির সংগ্রামী চেতনার প্রতিফলন ঘটেছে।” মন্তব্যটি উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

সৃজনশীল প্রশ্ন ৪ :

তিনজন আমরা পাশাপাশি হাটছিলাম। রাহাত দোগান দিচ্ছিল। আর অপুর হাতে ছিল একটি মস্ত প্লাকার্ড। তার ওপর লাল কালিতে লেখা ছিল ‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’। মিছিলটা হাইকোর্টের মোড়ে পৌছুতে অকস্মাৎ আমাদের সামনের লোকগুলো চিৎকার করে পালাতে লাগল চারপাশে । ব্যাপার কী বুঝবার আগেই চেয়ে দেখি, প্লাকর্ডসহ মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে তপু। কপালের ঠিক মাঝখানটায় গোল একটা গর্ত। আর সে গর্ত দিয়ে নির্ঝরের মতো রক্ত ঝরছে তার।

ক. কবি কার মুখকে তরুণ-শ্যামল পূর্ব-বাংলার সঙ্গে তুলনা করেছেন?
খ. “ফুল নয়, ওরা শহীদের ঝলকিত রক্তের বুদ্বুদ” – ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকে ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতাটির কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? বর্ণনা করো।
ঘ. “উদ্দীপক এবং ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতা মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত
সংগ্রামী চেতনার এক অসাধারণ শিল্পভাষ্য।” – মন্তব্যটি তুমি স্বীকার করো কি? তোমার মতামতসহ বিশ্লেষণ করো।

  আরও কবিতা পড়ুনঃ  আঠারো বছর বয়স কবিতা – সুকান্ত ভট্টাচার্য

ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ কবিতা আবৃতি :

ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯  কবিতা আবৃতি :

 

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Leave a Reply

সর্বশেষ